অর্থনীতি

মুদ্রানীতি কমিটি থেকে সাদিক আহমেদের পদত্যাগ, বৈঠক স্থগিত

আপডেট: মার্চ ০৫, ২০২৬ : ০৫:৩৫ এএম
মুদ্রানীতি কমিটি থেকে সাদিক আহমেদের পদত্যাগ, বৈঠক স্থগিত

বাংলাদেশ ব্যাংক–এর মুদ্রানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অর্থনীতিবিদ সাদিক আহমেদ। বুধবার (৪ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটির অন্য সদস্যদের তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

পদত্যাগের পরদিন নির্ধারিত মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে নীতি সুদহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল ওই বৈঠকে।

নীতি সুদহার কমানো নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল

বর্তমানে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ। বৈঠকে এটি ০.২৫ থেকে ০.৫০ শতাংশ পয়েন্ট কমানোর প্রস্তাব আলোচনা হওয়ার কথা ছিল বলে জানা গেছে। উদ্দেশ্য ছিল, ঋণের সুদহার কিছুটা কমিয়ে ব্যবসা–বাণিজ্যে গতি আনা। নতুন গভর্নর এ বিষয়ে ইতিবাচক মত দিলেও শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি হঠাৎ স্থগিত করা হয়।

সাদিক আহমেদের পেশাগত পরিচয়

সাদিক আহমেদ বর্তমানে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)–এর ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিশ্বব্যাংক–এ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অর্থনীতি ও উন্নয়ননীতি বিষয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কমিটিতে কারা আছেন

সাদিক আহমেদের পদত্যাগের পর মুদ্রানীতি কমিটিতে রয়েছেন—কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, ডেপুটি গভর্নর মো. হাবিবুর রহমান, প্রধান অর্থনীতিবিদ মো. আখতার হোসেন, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)–এর মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী নাহার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহউদ্দিন নাসের।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় মুদ্রানীতিতে ধারাবাহিকতা ও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এ পরিস্থিতিতে কমিটির এক সদস্যের সরে দাঁড়ানো নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত নতুন সদস্য নিয়োগ দিলে কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!