প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে বিদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের হালনাগাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হবে এবং কোনো প্রকার শৈথিল্য বরদাস্ত করা হবে না।
আজ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির প্রথম সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “জাপান বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনাময় একটি শ্রমবাজার, কারণ সেখানে নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শতভাগ শ্রম অধিকার এবং উচ্চ বেতন নিশ্চিত করা হয়।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “এখন থেকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর শ্রমবাজারে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।”
সভায় জানানো হয়, জাপান বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রধানত চারটি ভিসা ক্যাটাগরিতে কর্মী গ্রহণ করে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি বাংলাদেশি কর্মীর প্রবাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে দেশভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
সভায় কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন—প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী এবং জাপানের ঐতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুল ফ্যাকাল্টি ড. মো শাকিরুল ইসলাম খান।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!