সৌদি আরবের উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর বরাদ্দ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর এলাকায় পাওয়া খেজুরের পরিমাণ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।
এতে কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে। চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার জানান, জেলার ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী, ফটিকছড়ি উপজেলায় ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মীরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলী উপজেলায় ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের সহায়তা সংস্থা King Salman Humanitarian Aid and Relief Center থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এ বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায়।
সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে এসব খেজুর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বণ্টন করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, তাঁর উপজেলায় ৩৯ কার্টন খেজুর বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এরপর থেকেই খেজুর বরাদ্দের সঠিক হিসাব নিয়ে জনমনে আলোচনা শুরু হয়।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!