জাতীয়

খুলনা বৃক্ষমেলায় ছয় দিনে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার চারা বিক্রি, বাড়ছে দর্শনার্থী

আপডেট: জুলা ১৮, ২০২৬ : ০৫:৪৮ এএম ১৩
খুলনা বৃক্ষমেলায় ছয় দিনে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার চারা বিক্রি, বাড়ছে দর্শনার্থী

খুলনায় মাসব্যাপী বিভাগীয় বৃক্ষমেলায় প্রথম ছয় দিনে ৮ হাজার ৫৮৪টি গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বিভিন্ন প্রজাতির এসব চারা বিক্রি করে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮৭০ টাকা। আয়োজকদের আশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে।

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে জেলা প্রশাসন ও খুলনা সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে গত ১১ জুলাই খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মেলার উদ্বোধন করেন। আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

মেলায় সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৬২টি স্টল রয়েছে। বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ সরব হয়ে উঠেছে। তবে ক্রেতার তুলনায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি বলে জানিয়েছেন স্টল মালিকেরা।

বিভিন্ন নার্সারির মালিকেরা জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বিক্রিতে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবু আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বিক্রি আরও বাড়বে বলে তাঁদের প্রত্যাশা। মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা বিক্রি হচ্ছে।

মেলার অন্যতম আকর্ষণ জাপানি পার্সিমন গাছের চারা। বিক্রেতারা জানান, ফলসহ প্রদর্শন করা এসব গাছ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় হচ্ছে। চারার আকার ও অবস্থাভেদে দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা।

খুলনা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি বদরুল আলম রয়েল বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃক্ষমেলা হিসেবে খুলনার এ আয়োজন দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছের কারণে বৃক্ষপ্রেমীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে।

বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনই মেলায় দর্শনার্থী ও বিক্রি—দুটিই বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চারা বিক্রির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!