জাতীয়

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, পরীক্ষার পর ব্যবস্থা নেবে বিএসটিআই

আপডেট: জুলা ৩১, ২০২৬ : ০৪:৪৯ এএম
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: আতঙ্ক নয়, পরীক্ষার পর ব্যবস্থা নেবে বিএসটিআই

বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার অভিযোগ নিয়ে আপাতত আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সংস্থাটি বলেছে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

পরীক্ষায় অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সম্প্রতি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) এক জরিপে সাতটি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে একটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি নিজ উদ্যোগে বাজারে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা শুরু করেছে।

বিএসটিআই জানায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিক বা অন্যান্য অজৈব পদার্থের অতি ক্ষুদ্র কণা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদীয়মান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বাংলাদেশে বিডিএস ১২১৬:২০১২ (স্পেসিফিকেশন ফর টুথপেস্ট) অনুযায়ী টুথপেস্টে ক্ষতিকর উপাদান, জীবাণু ও বিষাক্ততার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় কোনো টুথপেস্টে মাইক্রোবিডের উপস্থিতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোক্তাদের টুথপেস্ট কেনার সময় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স নম্বর যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে অজানা বা অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডের পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমদানিকৃত টুথপেস্টের আমদানি ও বাজারজাতকরণের ওপর কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে বিএসটিআই।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!