রাজনীতি

সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী: হেফাজত

আপডেট: এপ্রি ০৩, ২০২৬ : ০৫:৩০ এএম
সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী: হেফাজত

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর উদ্যোগকে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে তা ধর্মপ্রাণ মুসলিম পরিবারের জন্য উদ্বেগের কারণ হবে।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান এ মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে ধর্মীয় বিধিনিষেধ রয়েছে। সে কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে তা অনেক মুসলিম অভিভাবকের দৃষ্টিতে ধর্মীয় ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে। তাদের মতামত উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের গান-বাজনায় যুক্ত করা হলে তা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

নেতারা আরও বলেন, দেশে সংগীত শিক্ষার জন্য পৃথক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আগ্রহী অভিভাবকেরা চাইলে সন্তানদের সেখানে পাঠাতে পারেন। তবে সব শিক্ষার্থীর জন্য সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার যৌক্তিকতা নেই বলে তারা মনে করেন।

বিবৃতিতে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

এ বিষয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হেফাজতের নেতারা বলেন, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ধর্মীয় শিক্ষকের ব্যবস্থা করলে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংগঠনটি আরও দাবি করে, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অভিভাবকদের আস্থা কমেছে। এ পরিস্থিতিতে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!