আইন-আদালত

আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

আপডেট: জুন ০২, ২০২৬ : ০৫:২৪ এএম ১৫
আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। একই সঙ্গে তিনি মেয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি জানান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে আজ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।

এর আগে সকাল পৌনে নয়টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং সহআসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

সোমবার ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিনে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে।

মামলার এজাহার ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত স্বপ্না তাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে তার পরিবার অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পায়। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তারা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে আটক করে এবং পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!