ধর্ম

সাহাবিরা যেভাবে আশুরার রোজা রাখতেন

আপডেট: জুন ২২, ২০২৬ : ০৬:০১ এএম ১২
সাহাবিরা যেভাবে আশুরার রোজা রাখতেন

রমজানের পর আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মাস হিসেবে বিবেচিত হয় মহররম মাস। এর মধ্যকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হলো আশুরা, অর্থাৎ মহররমের ১০ তারিখ। এ দিনকে কেন্দ্র করে রোজা ও ইবাদতের বিশেষ ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

ইসলামি ইতিহাস ও হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, সাহাবিরা আশুরার দিন রোজা রাখা এবং নানাবিধ ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করতেন। এমনকি তারা শিশুদেরও এ দিনে রোজার অভ্যাস করাতেন বলে বিভিন্ন বর্ণনায় পাওয়া যায়।

সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত এক হাদিসে হজরত রুবাইয়ি’ বিনতে মুআববিয (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিন সকালে ঘোষণা পাঠান— যে ব্যক্তি সকালে খেয়েছে, সে যেন দিনের বাকি অংশ না খায়; আর যে খায়নি, সে যেন রোজা পূর্ণ করে। এরপর থেকে সাহাবিরা এ দিন রোজা রাখতেন এবং সন্তানদেরও এতে অভ্যস্ত করাতেন।

আশুরার রোজা পালনের ক্ষেত্রে নবী করিম (সা.) ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ বা ১১ মহররমে অতিরিক্ত একটি রোজা রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে হাদিসে পাওয়া যায়। এ বিষয়ে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী (সা.) ইহুদিদের বিরোধিতা করতে ৯ তারিখেও রোজা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

ইসলামি আলেমদের মতে, আশুরার রোজা রাখার উত্তম পদ্ধতি হলো ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম—এইভাবে দুই দিন রোজা রাখা। কেউ চাইলে তিন দিন (৯, ১০ ও ১১ মহররম) রোজা রাখাও উত্তম হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে শুধু ১০ মহররমের রোজা রাখলেও এর ফজিলত অর্জন করা যাবে বলে আলেমরা মত দিয়েছেন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!