জাতীয়

গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি: চসিক মেয়র

আপডেট: জুন ০৮, ২০২৬ : ০৪:৩৯ এএম
গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি: চসিক মেয়র

পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং চট্টগ্রামকে একটি বাসযোগ্য সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এমন তথ্য জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (৭ জুন) নগরের টাইগারপাস এলাকায় বিন্নাঘাস প্রকল্প প্রাঙ্গণে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষ পরিচর্যা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি একটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী উদ্যোগ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। দেশের প্রতিটি নাগরিক যদি বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসে, তাহলে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় নগরজুড়ে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। নগরের কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কের মিড-আইল্যান্ডগুলো ফুল ও সবুজ গাছে সাজানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন খালি জায়গা, পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে মেয়র জানান, ইতোমধ্যে দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত সড়কদ্বীপে ২৬ প্রজাতির প্রায় সাড়ে ছয় হাজার চারা রোপণের কাজ শুরু হয়েছে। এসব গাছের মধ্যে রয়েছে জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ ও শিউলিসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছ। নিয়মিত পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ গাছগুলোর পরিচর্যার জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর একটি নগরী। এখানে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, খাল, উপত্যকা ও জলাশয়সহ নানা প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের যথাযথ সংরক্ষণ ও পরিচর্যা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয় এবং উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!