জাতীয়

গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দৈনিক বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আপডেট: জুন ০৮, ২০২৬ : ০৪:৪৩ এএম
গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দৈনিক বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে দেশে দৈনিক সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মোকাবিলায় সরকার জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় দেশে সার্বিকভাবে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে প্রাথমিক জ্বালানির সীমাবদ্ধতা, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।

মন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ খাতে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সরকার বিদ্যুৎ খাতকে আরও টেকসই ও নির্ভরযোগ্য করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও সংসদকে জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!