জাতীয়

সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, ‘আরও ভালো বাংলাদেশ’ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬ : ০৫:০২ এএম
সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, ‘আরও ভালো বাংলাদেশ’ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডার মতো বানানোর কথা তিনি ভাবেন না; বরং তিনি একটি ‘আরও ভালো বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চান। তবে এ কাজ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শনিবার রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রায়ই শুনতাম, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলব, কানাডা বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’

দেশ গঠনের কাজে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন আনতে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরে প্রবেশের সময় তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত উল্লেখ করা একটি সাইনবোর্ড দেখেছেন। কক্সবাজারকে সঠিকভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে হলে পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার এমন একটি শহর হতে পারে, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করবে এবং পথচারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন।

গত ১৭ বছরে কক্সবাজারে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তাঁর মনে হয়েছে, অনেক কাজ আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা হয়নি। ফলে এখন উন্নয়নের অনেক কাজ একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে এবং মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে হলে অনেকগুলো কাজ করতে হবে।’

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা এবং সেখানে একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। রাত সোয়া ১২টার দিকে তিনি বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!