জাতীয়

বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস: শামা ওবায়েদ

আপডেট: জুলা ১৭, ২০২৬ : ০৫:২২ এএম ২২ ০
বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস: শামা ওবায়েদ

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই ধরনের উড়োজাহাজ যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে একটি টেকসই মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের বোয়িংও প্রয়োজন, এয়ারবাসও প্রয়োজন। আমরা দুটিই কিনব।”

যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এবং ফ্রান্সের এয়ারবাস কেনার পরিকল্পনার মধ্যে কোনো বিরোধ রয়েছে কি না, কিংবা কোনো ধরনের চাপের কারণে বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ ধরনের ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, সরকার দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিচক্ষণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে একদিকে সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণ করতে হবে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় খাতেও বিনিয়োগ করতে হবে।

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেয় না। দেশের স্বার্থই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। এর আগে বুধবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা অংশ নেন।

বৈঠকে জানানো হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় এয়ারবাস উড়োজাহাজ যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই মিশ্র বহর গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের এয়ারবাস কেনার আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বিমান খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!