জাতীয়

চা খাতের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ

আপডেট: অক্টো ১৭, ২০২৬ : ০৪:৪১ এএম ৩ ০
চা খাতের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ

দেশের চা খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে চা বাগান আধুনিকায়ন, পুরোনো গাছের পরিবর্তে নতুন চারা রোপণ, স্বল্প সুদে ঋণসুবিধা, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিশেষায়িত চায়ের বাজার সম্প্রসারণের মতো উদ্যোগ নিয়ে কাজ চলছে।

চা শিল্পকে লাভজনক ও টেকসই করতে প্রতিটি বাগানের সমস্যা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পৃথক কর্মপরিকল্পনা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চা খাতের ঋণসংকট নিরসন, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং রপ্তানি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের কথা ভাবা হচ্ছে।

গত মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে চা শিল্পের উন্নয়নে গঠিত মনিটরিং ও পরামর্শক কমিটির প্রথম সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, সভায় চা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৭ শতাংশ চা দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। প্রথমে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ এবং এরপর রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিদেশের বাজার অনুসন্ধান ও রপ্তানি সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, কনস্যুলেট এবং সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকেরা সবুজ চা, অর্থোডক্স চা, সাদা চা ও সিটিসি পদ্ধতিতে তৈরি কালো চাসহ বিভিন্ন ধরনের চা উৎপাদন করছেন। পাশাপাশি নতুন স্বাদ ও বৈশিষ্ট্যের চা তৈরি করে নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তোলার উদ্যোগও রয়েছে।

পুরোনো বাগান ও কম উৎপাদনশীলতা বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১৭২টি চা বাগান রয়েছে। এসব বাগানের মোট জমির পরিমাণ ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৯৬ একর। এর মধ্যে চাষযোগ্য জমি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯১ একর। নার্সারিসহ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৯ একর জমিতে চা চাষ হচ্ছে।

এ ছাড়া ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৩৭ একর জমি অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে চা চাষ সম্প্রসারণের জন্য অবশিষ্ট রয়েছে ১৬ হাজার ৯২৮ একর জমি।

২০২৫ সালে দেশে চা উৎপাদিত হয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার কেজি। ওই বছর উত্তরাঞ্চলে উৎপাদিত হয়েছে ২ কোটি ২৩ হাজার কেজি চা। দেশে প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৫৫২ কেজি।

উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও পুরোনো চা গাছ, নতুন চারা রোপণে ঘাটতি, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এবং উৎপাদন উপকরণের বাড়তি ব্যয় এ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো বাগানের চা গাছের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছর বা তারও বেশি। ফলে উৎপাদনশীলতা ধরে রাখা এবং উৎপাদন ব্যয় কমানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

ভারত, শ্রীলঙ্কা ও কেনিয়ার তুলনায় উৎপাদনশীলতার ঘাটতিও বাংলাদেশের চা উৎপাদকদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতায় চাপ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরোনো গাছের পরিবর্তে নতুন গাছ লাগানো, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাগান ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চা খাতের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাঁর মতে, শুধু ঋণনির্ভরতা দিয়ে এ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। চা শিল্পকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে নিজস্ব আয় ও আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব, কর ও মূল্য সংযোজন করের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।

ঋণ পুনঃতফসিল ও সুদ কমানোর প্রস্তাব

চা খাতের অন্যতম বড় সমস্যা ঋণের চাপ। কমিটির প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এ খাতে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ১৭৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩ হাজার ১৩৩ কোটি ৬ লাখ টাকা। বকেয়া ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৮২৬ কোটি ৯ লাখ টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চা খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৫১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর মধ্যে মন্দ ঋণ ২১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা। পুনঃতফসিল করা ঋণের পরিমাণ ৫১৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

এই আর্থিক চাপ কমাতে সম্ভাবনাময় চা বাগানগুলোর ঋণ পুনঃতফসিল এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে নতুন ঋণ দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। একই সঙ্গে চা উৎপাদন ও বিনিয়োগে সহায়তা দিতে ৬ শতাংশ সুদে একটি আবর্তক তহবিল গঠনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

এ ছাড়া চা উৎপাদনে নেওয়া ঋণের সুদের হার বর্তমান ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশে আনার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। ডাল, তেলবীজ, মসলা ও ভুট্টাসহ কয়েকটি ফসলের জন্য প্রচলিত রেয়াতি সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান ১৮ হাজার কোটি টাকার আবর্তক পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি থেকে ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের একটি প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ অর্থ থেকে ঋণগ্রহীতাদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ বার্ষিক সুদে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন।

চা খাতের জন্য ৬ শতাংশ সুদের আবর্তক তহবিল এবং বিদ্যমান পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি থেকে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দুটি পৃথক উদ্যোগ। প্রস্তাবগুলো এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।

চাষাবাদে কৃষিঋণের সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা

চা চাষকে কৃষিপণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ স্বীকৃতি পাওয়া গেলে চা উৎপাদকেরা কৃষি খাতের জন্য প্রযোজ্য রেয়াতি ঋণসুবিধা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

বাংলাদেশ চা বোর্ড এ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মতে, চা খাতের প্রায় ৬০ শতাংশ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে চারা রোপণ, গাছের পরিচর্যা, ছাঁটাই ও পাতা সংগ্রহ। এসব কাজ মূলত কৃষিকাজের অন্তর্ভুক্ত। বাকি ৪০ শতাংশ কার্যক্রম শিল্পভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তবে শিল্প মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২-এ চা প্রক্রিয়াজাতকরণকে শিল্প কার্যক্রম হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফলে চা খাতের শ্রেণিবিন্যাস ও ঋণসুবিধার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

অব্যবহৃত জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

চা বাগানের যেসব জমি চা চাষের উপযোগী নয়, সেগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যৌথভাবে বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে কমিটি। এ ক্ষেত্রে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি বাগানের বিভিন্ন স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় চা কোম্পানিগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় চা বাগানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি সামনে এসেছে।

জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ২০২৬-২০৩০ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এ ছাড়া ভূমিভিত্তিক বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনসহ বিকল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চা উৎপাদন এলাকা ও হাওর অঞ্চলের পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

চা বাগানের মূল বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে বিকল্প বনায়ন, কৃষিকাজ ও অন্যান্য আয়বর্ধক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাবও এসেছে। এ ক্ষেত্রে ক্লাস্টারভিত্তিক উদ্যোগ এবং নেট মিটারিংয়ের মতো ব্যবস্থার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশেষায়িত চায়ে রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্য

চায়ের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ১৬ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা রপ্তানি করেছে। একই সময়ে আমদানি হয়েছে ৫ হাজার কেজি।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে চা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

দেশের চাহিদার প্রায় পুরোটাই স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হওয়ায় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশের বাজারে বিক্রি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে এ জন্য অর্থোডক্স ও বিশেষায়িত চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত ব্র্যান্ডিং ও প্যাকেজিং, কার্যকর বিপণন এবং আন্তর্জাতিক মানসনদ অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চমূল্যের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন ধরনের চা উৎপাদনে বিনিয়োগ প্রয়োজন। পাশাপাশি রেইনফরেস্ট অ্যালায়েন্সের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ অর্জনের উদ্যোগ রপ্তানি সম্প্রসারণে সহায়ক হতে পারে।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে দক্ষতা বাড়াতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। উৎপাদন পদ্ধতি, চায়ের মিশ্রণ তৈরি এবং রপ্তানি উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

বাগানভিত্তিক কর্মপরিকল্পনায় গুরুত্ব

চা খাতের উন্নয়নে সরকারি সহায়তা ও ঋণসুবিধার পাশাপাশি বাগানগুলোর নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে কমিটি। প্রতিটি বাগানের সমস্যা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় পৃথক কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকিং ও নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।

প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো যথাযথ অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সাপেক্ষে বাস্তবায়িত হলে চা বাগানের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আর্থিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চায়ের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!