স্বাস্থ্য

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ

আপডেট: জুন ০৭, ২০২৬ : ০৪:৩৬ এএম ১৪
সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ

উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা যাচাইয়ে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন জারি করা এক আদেশে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী এ আদেশে সই করেন।

আদেশে বলা হয়, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীদের জন্য অধিকতর চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অনেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যাসংখ্যা সীমিত থাকায় রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণে ভোগান্তি পোহাতে হয়। শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হলে উপজেলা পর্যায়েই আরও বেশি রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো পরিদর্শন করবে। পরিদর্শনের সময় বিদ্যমান অবকাঠামো, ভবনের সক্ষমতা, সম্প্রসারণের সুযোগ, সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং অতিরিক্ত শয্যা স্থাপনের উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হবে।

নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) পরিদর্শন দলের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, নথিপত্র এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হলে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, জরুরি চিকিৎসা, মেডিসিন ও সার্জারি সেবায় রোগীরা বেশি সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালের ওপর চাপও কিছুটা কমবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে এবং চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজনও অনেকাংশে কমে আসবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!